সোমবার, ০৩ মে ২০২১, ০৫:০৭ অপরাহ্ন

ঔপনিবেশিক মন আভিজাত্যের জীবাণু

স্যার-ম্যাডামের গল্প…

মহামারী চলছে। মানুষের বড্ড দুর্দিন। ঘর থেকে বেরোনোর জো নেই। যেন বেরোলেই ঘাড়ে লাফিয়ে পড়বে আততায়ী। নিজেকে অবরুদ্ধ রাখাই বিপদ এড়ানোর কার্যকর কৌশল। তাই, গ্রহবাসীরা ঘরে ঘরে নিজেদের বন্দি করেছে। মহামারীর মধ্যেই বাংলার ফেইসবুকে ভাইরাল হয়েছে এক আমলার খবর। বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিকদের তিনি কান ধরে দাঁড় করিয়ে রেখেছিলেন। অতঃপর, ছিঃ ছিঃ রব ওঠে। চতুর্দিকে সমালোচনা। ঘৃণার তীরে বিদ্ধ ‘অপরাধী’ সামাজিক চাপে পড়েছেন। খবরান্তে জানা গেছে, তিনি মাফও চেয়েছেন। এক আমলার গল্পে যতি টেনে আসুন, আরেক সাহেবের গল্পে যাই।

বানানো কাহিনী নয়। ‘যাহা বলিব, সত্য বলিব। সত্য বৈ মিথ্যা বলিব না’। ঢাকার ধামরাইয়ে কৃষি ব্যাংকের ম্যানেজারকে ‘স্যার’ না ডেকে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করেছিলেন এক গ্রাহক। কিন্তু ‘গরিব-চাষা-ভুষা’ মানুষের মুখে ‘ভাই’ ডাক শোনার ‘অপমান’ সহ্য করতে পারেননি ব্যাংকের ম্যানেজার সোহরাব জাকির। তাই, রেগে-মেগে অগ্নিশর্মা ম্যানেজার ‘ছোটলোক’ গ্রাহকের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করে তাকে ব্যাংক থেকে বের করে দেন। যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা! অতএব ম্যানেজার উচিত শিক্ষাই দিয়েছেন। নাকি বলেন? ম্যানেজারের উচিত শিক্ষা কার্যক্রমের বিস্তারিত জানতে চাইলে, দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার ২০১৯ সালের ৩ নভেম্বরে প্রকাশিত ‘ভাই ডাকায় গ্রাহককে ব্যাংক থেকে বের করে দিলেন ম্যানেজার!’ শিরোনামের খবরটি পড়ুন।

নিউজটি শেয়ার করুন


      এ জাতীয় আরো খবর..