সোমবার, ০৩ মে ২০২১, ০৫:০৭ অপরাহ্ন

৩১ মার্চ

মেক্সিকোর কবি, লেখক ও কূটনীতিবিদ অক্তাবিও পাজ ১৯১৪ সালের ৩১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ১৯৮১ সালে ‘মিগুয়েল ডি সার্ভেন্তেস’ পুরস্কার, ১৯৮২ সালে ‘নিউয়েস্টাড আন্তর্জাতিক সাহিত্য পুরস্কার’ এবং ১৯৯০ সালে সাহিত্যে ‘নোবেল পুরস্কার’ লাভ করেন। অক্তাবিও পাজ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর লাতিন আমেরিকান সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা কবি ও লেখক। মেক্সিকোতে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সময় পাজের জন্ম। যুদ্ধের বাস্তবতা থেকে আগলে রেখে পাজকে বড় করে তুলেছিলেন তার মা জোসেফিনা লোজানা, পিতামহ ও খালা। তার মা ছিলেন স্পেনীয় অভিবাসী, যিনি জীবনে ধর্মকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছিলেন। শিশু পাজের খালা সারাক্ষণ সঙ্গ দিয়ে, স্নেহ দিয়ে তাকে বড় করেছিলেন। সাহিত্যের প্রতি অগাধ অনুরাগী এই খালার কাছ থেকে পাজ শৈশবেই ভিক্টর হুগো ও রুশোর মতো সাহিত্যিকদের লেখার সঙ্গে পরিচিত হন। পাজের বাবা ছিলেন একজন আইনজীবী ও সাংবাদিক। পিতামহ ছিলেন একজন আদর্শনিষ্ঠ বিপ্লবী ও প্রভাবশালী লেখক, যিনি ফরাসিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। পাজ বাল্যকালে তার পিতামহের লেখা দ্বারাই অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। ১৯৩৭ সালে পাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। কবিতায় নিজেকে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত করাকেই জীবনের ব্রত হিসেবে বেছে নেন। ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয় তার বিখ্যাত কবিতা ‘পিয়েরদা দ্য সান’ বা বাংলায় ‘সূর্য পাথর’। একই বছর পাজের প্রথম কবিতা সংকলন প্রকাশিত হয়। ১৯৬২ সালে মেক্সিকোর রাষ্ট্রদূত হয়ে তিনি ভারতে আসেন। ১৯৬৮ সালে মেক্সিকোতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের ওপর সরকারি বাহিনীর গুলি চালানোর প্রতিবাদে রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর হার্ভার্ডসহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন এবং শিল্পকলা ও ইতিহাস বিষয়ে কয়েকটি গ্রন্থ রচনা করেন। ১৯৯৮ সালের ১৯ এপ্রিল ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন কালজয়ী সাহিত্যিক অক্তাবিও পাজ।

নিউজটি শেয়ার করুন


      এ জাতীয় আরো খবর..